লাইফস্টাইল

নখের কোনা ডেবে যাওয়া নিরাম’য়ের ঘ’রোয়া এবং প্রাকৃতিক উ’পায়

পায়ের নখ ভেতরের দিকে বৃ’দ্ধি পাওয়াকে ও’নাইকো’ক্রি’প্টোসিস বলে যা খুবই সাধারণ একটি স’মস্যা। একে নখকু’নিও বলা হয়। যখন পায়ের ন’খের কোনার অংশ বা প্রা’ন্তের অং’শ নরম মাং’সের ভেতরের দিকে প্রবেশ করে তখন খুবই অ’স্বস্তি ও ব্য’থার সৃ’ষ্টি করে। সাধারণত ন’খকুনি পায়ের আ’ঙ্গুলেই হয়ে থাকে কি’ন্তু হাতের আ’ঙ্গুলেও হতে পারে তবে তা খুবই বি’রল।

ন’খকুনি হওয়ার কারণ খুব বেশি টাইট-ফি’টিং জুতা পরলে, নখ সঠিক ভাবে না কাটলে, নখে ব্য’থা পেলে এবং অ’স্বাভাবিক বাঁ’কানো ন’খ থাকলে। ডা’য়াবেটিস ও অন্য স্বা’স্থ্যগত সম’স্যা থাকলে পায়ের র’ক্ত সং’বহন কমে যায় ফলে পায়ের ন’খের এই স’মস্যা হওয়ার ঝুঁ’কি বৃ’দ্ধি পায়। নখে খুব বেশি ব্য’থা হওয়া, লা’ল হওয়া এবং ফুলে যাওয়ার মত উপ’সর্গগু’লো দেখা যায় ন’খকুনি হলে। যদি এর চি’কিৎসা করা না হয় তাহলে ইন’ফেকশ’ন হয়ে যেতে পারে।

ই’নফেক’শন হলে নখের চারপাশ লাল হয়ে ফুলে যায়, পুঁ’জ ও র’ক্ত বাহির হয়। যদি শু’রুতেই বুঝতে পারা যায় তাহলে ঘরেই এর য’ত্ন নেয়া যায়। যদি ই’নফে’কশন হয়ে যায় তাহলে চি’কিৎস’কের কাছে যাওয়া উ’চিৎ। ন’খকু’নির ঘ’রোয়া প্র’তিকারগুলো জেনে নেই আসুন।

১। উ’ষ্ণ জলে ভি’জানো: উষ্ণ জলে কিছুক্ষণ পা ডু’বিয়ে রাখলে ন’খকু’নির ব্য’থা ও ফোলা কমে যায়। এজন্য একটি ছোট বোলে উ’ষ্ণ গরম পানি নিন। এই পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১৫-২০ মিনিট। দিনে ৩-৪ বার এটি করতে পারেন।

২। নখের নীচে গজ দিয়ে রাখুন: গরম জলে পা ডুবানোর পরে আ’ক্রান্ত নখের নীচে তুলা বা গজ বা সুতির নরম কাপড় ঢুকিয়ে দিলে ন’খটি উপরের দিকে উঠে আসবে। উ’ষ্ণ গরম পানিতে কি’ছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখার পরে ভালো করে পা মুছে নিন। তারপর ভোঁ’তা চি’মটা দিয়ে আ’ক্রান্ত নখ’টি সাবধানে উপরে উঠান এবং ত্বক ও নখের মাঝখানে সুতির কাপড়ের টুকরাটি ঢুকিয়ে দিন। ইনফেকশন প্র’তিরোধের জন্য প্রতিবার পা ভে’জানোর পরে কা’পড়টি প’রিবর্তন করে নিন।

৩। ই’পসম ল’বণ: ইপ’সম লবণের বৈ’জ্ঞানিক নাম ম্যা’গনেসিয়াম সা’লফেট যা নখের অ’ন্তরবৃ’দ্ধির চি’কিৎসায় কা’র্যকরী। এটি আ’ক্রান্ত নখের ত্ব’ককে নরম হতে সা’হায্য করে। যার ফলে মাং’সের ভেতরে ঢুকে যাওয়া নখকে বের করা সহজ হয় এবং প্র’দাহ ও কমে। এর জন্য উ’ষ্ণ গ’রম পানিতে পূর্ণ একটি বোলে ১ টেবিলচামচ ইপসম লবণ মিশান। এই মিশ্রণে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। তারপর মি’শ্রণটি থেকে পা উঠিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এই প্র’ক্রিয়াটির পু’নরাবৃত্তি করুন।

এ’ছাড়াও হা’ইড্রোজেন পারও’ক্সাইড, অ্যা’ন্টিব্যাক’টেরিয়াল সাবান, লেবু, টি ট্রি ওয়েল, আপেল সাই’ডার ভিনে’গার ও হলুদ ব্যবহার করা যায়। তবে প্র’তিকারের চেয়ে প্র’তিরোধ করাই শ্রেয়। তাই নখ সোজা ভাবে কাটুন, পায়ের স্বা’স্থ্যবি’ধি মেনে চলুন, বাহির থেকে আসার পর পা ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন, আ’রামদায়ক ও পায়ের মাপ মত জু’তা পরুন, প্রতিদিন গো’সলের সময় ঝা’মা পাথর দিয়ে পা ঘষুন যাতে পায়ের ত্বক শ’ক্ত হয়ে না যায় এবং প্রতিদিন প’রিষ্কার মোজা পড়ুন।

Related Articles

Close