লাইফস্টাইল

স্ত্রী’ নয়, প্রতারণার দায় নিজেই নিচ্ছেন রাসেল

গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের দায় স্ত্রী’ ও ইভ্যালি চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের কাঁধে না দিয়ে তা নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা মো. রাসেল। রাজধানীর গুলশান থা’না পু’লিশ তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। সেই সূত্রে রোববার বিষয়টি জানা গেছে। সূত্র আরও জানিয়েছে, রাসেল দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন। তবে গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকায় তার পক্ষে তা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ইভ্যালির বি’রুদ্ধে রাজধানীর ধানমন্ডি থা’নায় আরেকটি মা’মলা হয়েছে। মা’মলায় মো. রাসেল, শামীমা নাসরিনসহ ১২ জনকে আ’সামি করা হয়েছে। শনিবার রাতে কাম’রুল ইস’লাম নামে এক ব্যবসায়ী এই মা’মলা করেন। ধানমন্ডি থা’নার ওসি ইকরাম আলী মিয়া বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেছেন।

মা’মলার অ’পর আ’সামিরা হলেন- ইভ্যালির ভাইস প্রেসিডেন্ট আকাশ, ম্যানেজার জাহেদুল ইস’লাম, সিনিয়র অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার তানভীর আলম, সিনিয়র এপিকিউটিভ (কমা’র্শিয়াল) জাওয়াদুল হক চৌধুরী, হেড অব অ্যাকাউন্ট সেলিম রেজা, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার জুবায়ের আল মাহমুদ, অ্যাকাউন্ট শাখার কর্মী সোহেল, আকিবুর রহমান তুর্য, সিইওর পিএস রেজওয়ান ও বাইক ডিপার্টমেন্টের কর্মক’র্তা সাকিব রহমান। এ ছাড়া মা’মলার এজাহারে আরও ১৫-২০ জন অ’জ্ঞাতনামা আ’সামির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

মা’মলার এজাহারে কাম’রুল ইস’লাম বলেছেন, তিনি মেট্রো কভা’রেজ, স্মা’র্ট ফুড অ্যান্ড বেভা’রেজ, ফ্রিডম এপপোর্ট-ইম্পোর্ট বিডি ও ফিউচার আইটি নামে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ইভ্যালির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে গ্রাহকদের মোট ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকার পণ্য সরবরাহ করেছেন। পণ্য সরবরাহের বিপরীতে ইভ্যালি তাদের একটি চেক দিলেও সেই অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা ছিল না। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তারা ইভ্যালির বি’রুদ্ধে ধানমন্ডি থা’নায় একটি জিডি করেন। তবু ইভ্যালি তাদের কোনো অর্থ পরিশোধ করেনি।

এর আগে ইভ্যালির বি’রুদ্ধে ১৬ সেপ্টেম্বর গুলশান থা’নায় এক গ্রাহক মা’মলা করলে ওই দিন বিকেলে রাজধানীর মোহাম্ম’দপুরে তাদের বাসায় অ’ভিযান চালিয়ে রাসেল ও তার স্ত্রী’কে গ্রে’প্তার করে র‌্যা’­ব।

অন্যদিকে রাসেল ও তার স্ত্রী’র মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর নিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন গ্রাহক ও সেলাররা। গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ধানমন্ডির ১৪ নম্বর সড়কে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা যায় তাদের।

এ বিষয়ে কর্মসূচির আহ্বায়ক মীর আমজাদ হোসেন আকাশ বলেন, ‘আম’রা চাই প্রধান নির্বাহী আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। গ্রাহকদের পাওনা মিটিয়ে দিক। তাকে গ্রে’প্তার করে আ’ট’কে রাখা কোনো সমাধান নয়। গ্রাহক ও সেলাররা তাদের প্রাপ্য ফিরে পাক।’

Related Articles

Close